Opening Houes : 24 Hours Open
Phone : +88 01994 888 999
Address : 93 Kazi Nazrul Islam Ave, Dhaka 1215

শয্যাশায়ী বা প্যারালাইসিস রোগী : বাসায় যত্ন নাকি কেয়ার হোম?

শয্যাশায়ী বা প্যারালাইসিস রোগী : বাসায় যত্ন নাকি কেয়ার হোম?

শয্যাশায়ী বা প্যারালাইসিস রোগী : বাসায় যত্ন নাকি কেয়ার হোম?

সংক্ষেপে উত্তর: শয্যাশায়ী রোগীর যত্নে সবচেয়ে জরুরি চারটি বিষয় হলো নিয়মিত পাশ ফেরানো (বেডসোর প্রতিরোধ), নিরাপদে খাওয়ানো, পরিচ্ছন্নতা এবং হাত-পা সচল রাখার ব্যায়াম। বাসায় এগুলো ২৪ ঘণ্টা নিশ্চিত করা কঠিন হলে প্রশিক্ষিত নার্সিং সাপোর্টসহ কেয়ার হোম বেশি নিরাপদ বিকল্প।

শয্যাশায়ী রোগীর প্রধান ঝুঁকিগুলো

  • বেডসোর (pressure ulcer) — একই জায়গায় দীর্ঘক্ষণ চাপ পড়লে ত্বক ও মাংস নষ্ট হয়; সংক্রমণ হলে প্রাণঘাতীও হতে পারে।
  • খাবার শ্বাসনালিতে যাওয়া (aspiration) — শুয়ে খাওয়ালে নিউমোনিয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
  • হাত-পা শক্ত হয়ে যাওয়া (contracture) — নড়াচড়া না হলে জয়েন্ট স্থায়ীভাবে বেঁকে যেতে পারে।
  • প্রস্রাবের সংক্রমণ ও কোষ্ঠকাঠিন্য
  • বিষণ্ণতা ও একাকীত্ব

 

বাসায় যত্নের মূল নিয়ম

  1. পাশ ফেরানো: সাধারণত প্রতি ২ ঘণ্টায় অবস্থান বদলান, অথবা ডাক্তার/নার্স যেভাবে বলেন। এয়ার ম্যাট্রেস ব্যবহার করুন।
  2. ত্বকের যত্ন: কোমর, গোড়ালি, পিঠ, কনুই প্রতিদিন দেখুন; লালচে দাগ দেখলেই নার্সকে জানান। ত্বক শুকনো ও পরিষ্কার রাখুন।
  3. খাওয়ানো: রোগীকে বসিয়ে বা অন্তত মাথা উঁচু করে খাওয়ান, খাওয়ার পর কিছুক্ষণ সেভাবে রাখুন। গিলতে কষ্ট হলে ডাক্তারের পরামর্শে খাবারের ধরন বদলান।
  4. পর্যাপ্ত পানি ও পুষ্টি: পানিশূন্যতা ও অপুষ্টি বেডসোর ও সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়।
  5. ফিজিওথেরাপি: প্রতিদিন হাত-পায়ের সহজ নড়াচড়া (range of motion) ফিজিওথেরাপিস্টের দেখানো পদ্ধতিতে।
  6. কথা বলুন: শুয়ে থাকা মানুষটি শুনছেন ও অনুভব করছেন। গল্প, খবর, প্রিয় গান তাঁর মনের খোরাক।

 

বাসা বনাম কেয়ার হোম: কীভাবে সিদ্ধান্ত নেবেন

বিষয়বাসায় যত্নকেয়ার হোম
রাতে পাশ ফেরানোএকজনের ওপর নির্ভর, ক্লান্তিতে ভুল হয়শিফটে কেয়ারগিভার
বেডসোর শনাক্তপরিবার প্রায়ই দেরিতে বোঝেনার্স নিয়মিত পরীক্ষা করেন
তোলা-নামানো ও গোসলপ্রশিক্ষণ ছাড়া রোগী ও যত্নকারী দুজনেরই আঘাতের ঝুঁকিপ্রশিক্ষিত স্টাফ, উপযোগী বাথরুম
জরুরি অবস্থাঅ্যাম্বুলেন্স খোঁজা, হাসপাতাল ঠিক করাচুক্তিবদ্ধ হাসপাতাল ও পরিবহন প্রস্তুত
পরিবারের ওপর চাপঅনেক বেশি, দীর্ঘমেয়াদে ভেঙে পড়ার ঝুঁকিকম; পরিবার সম্পর্কে মনোযোগ দিতে পারে

 

বাসায় যত্ন ভালো চলে যদি প্রশিক্ষিত কেয়ারগিভার, নিয়মিত নার্স ভিজিট এবং পরিবারের একাধিক সদস্য ভাগ করে দায়িত্ব নিতে পারেন। তা না হলে কেয়ার হোম বিবেচনা করুন।

 

কেয়ার হোম বেছে নেওয়ার সময় যা দেখবেন

  • পার্সোনাল কেয়ারগিভার ও ২৪ ঘণ্টা নার্সিং/মেডিকেল স্টাফ
  • এয়ার ম্যাট্রেস, হুইলচেয়ার, হুইলচেয়ার-উপযোগী বাথরুম ও গ্র্যাব বার
  • স্ট্রেচার ঢোকার মতো লিফট
  • ফিজিওথেরাপির ব্যবস্থা
  • বেডসোর প্রতিরোধের লিখিত রুটিন

 

PRIYOJON-এ শয্যাশায়ী রোগীর সেবা

পূর্বাচলের PRIYOJON-এ লিফট, র‍্যাম্প, হুইলচেয়ার-উপযোগী বাথরুম ও গ্র্যাব বার আছে। ২৪ ঘণ্টা মেডিকেল স্টাফ, নার্সিং ও কেয়ারগিভার সাপোর্ট, বেসিক ফিজিওথেরাপি এবং সপ্তাহে ২ দিন ডাক্তারের ভিজিট। জরুরি প্রয়োজনে চুক্তিবদ্ধ হাসপাতাল, অ্যাম্বুলেন্স ও নিজস্ব গাড়ি।

 

কল ও WhatsApp: +8801994-888999 · ওয়েবসাইট: www.priyojon.care · ইমেইল: info@priyojon.care

 

FAQ

How often should a bedridden patient be turned?

Commonly every two hours, but the right schedule depends on the patient’s skin and condition. Follow the nurse’s or doctor’s advice and use a pressure-relieving air mattress.

 

বেডসোর হয়ে গেলে কী করবেন?

দেরি না করে ডাক্তার বা নার্স দেখান। ক্ষতস্থানে চাপ সম্পূর্ণ সরিয়ে রাখুন এবং নিজে থেকে কোনো মলম বা ঘরোয়া পদ্ধতি ব্যবহার করবেন না।

 

প্যারালাইসিস রোগী কি আবার হাঁটতে পারবেন?

এটা নির্ভর করে কারণ ও তীব্রতার ওপর। নিয়মিত ফিজিওথেরাপিতে অনেকে আংশিক বা পুরোপুরি চলাফেরার ক্ষমতা ফিরে পান; চিকিৎসকই সঠিক ধারণা দিতে পারবেন।

 

Medically reviewed by: Dr Tariq Aziz  BM&DC  – A99653

Recent Comments

No comments to show.
Recent Blog